অ্যাসিড সারভাইভার্স ফাউন্ডেশন
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন (ইংরেজি - Acid Survivors Foundation) এসিড সহিংসতার শিকার অসহায় মানুষদের চিকিৎসা, পরিচর্যা, সমাজে তাদের পুনর্ভুক্তি ও পুনর্বাসন এবং এসিড সহিংসতা নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত একটি বাংলাদেশী সামাজিক সংগঠন।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
এ এস এফের প্রতিষ্ঠার আগে এসিড হামলায় আক্রান্তদের চিকিৎসার ও পুনর্বাসন এবং এসিড সন্ত্রাসের প্রতিরোধের জন্য কোন সমন্বিত উদ্যোগ ছিল না। ফলে বাংলাদেশে এসিড সন্ত্রাস ব্যপক বিস্তৃতি লাভ করে। প্রথমদিকে কিছু এনজিও বিচ্ছিন্নভাবে এসিড আক্রান্ত নারীদের আইনি ও অন্যান্য সহযোগিতা প্রদান শুরু করে। কিন্তু তা ছিল অপর্যাপ্ত, নির্যাতিত নারীদের জন্য সরকারী আশ্রয়কেন্দ্রটিই ছিল আক্রান্তদের একমাত্র আশ্রয়স্থল। এ আশ্রয়গুলোর অপর্যাপ্ততার মূল কারণ মানুষের সভাবজাত সামাজিক ঝোকপ্রবনতার মধ্যেই নিহিত। একজন এসিড আক্রান্তকে যতই সুযোগসুবিধা ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হোক না কেন তাকে সাধারণ সমাজে সুস্থভাবে বাচার সুযোগ না করে দিতে পারলে প্রকৃত সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব নয়।
এই চিন্তাধারা থেকেই কেবলমাত্র এসিডকে উপলক্ষ্য করে একটি স্বাধীন ও স্বাবলম্বী ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়। তাছাড়া তখন ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিট ছাড়া অন্য কোথাও চিকিৎসার সুব্যবস্থাও ছিল না আর এসিড সহিংসতার বিরুদ্ধে জনমত গঠনের উদ্যোগ ছিল খুবই সীমিত।
এই প্রেক্ষাপটের এক পর্যায়ে ১৯৯৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইইনিসেফ প্রণীত একটি প্রতিবেদনে এসিড হামলায় আক্রান্তদের সাহায্য এবং পুনর্বার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রোধকল্পে এ ধরণের একটি ফাউন্ডেশন গঠনের সুপারিশ করা হয় এবং পাশাপাশি এর অপরিহার্যতার প্রতিও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় CIDA (কানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি) এবং ইউনিসেফ একসাথে কাজ করা শুরু করে। এসময় কয়েকটি বিষয় বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবচনায় আনতে হয় -
- এসিডদগ্ধ ও তাদের নিকট আত্মীয় স্বজনদের নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা করা।
- আক্রান্তদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
- নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- তাদের পুনর্বাসনে সাহায্য করা।
এ সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় রেখেই পরবর্তী বছরের মে মাসে এ এস এফের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অনেক আত্মনিবেদিত স্বেচ্ছাসেবক এবং ট্রাস্টিদের প্রভূত সহযোগিতা ছিল।
[সম্পাদনা] প্রশাসন
[সম্পাদনা] এ এস এফের কৌশল
[সম্পাদনা] কার্যপদ্ধতি
এ এস এফ মূলত পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে কাজ পরিচালনা করে।
- নোটিফিকেশন ইউনিট
- মেডিক্যাল ইউনিট
- আইন সহায়তা ইউনিট
- সামাজিক পুনর্বাসন ইউনিট
- গবেষণা এডভোকেসী ও প্রতিরোধ ইউনিট
এই পাঁচটিই এসিড সন্ত্রাস প্রতিরোধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এই পাঁচটি ইউনিটের কাজে সহায়তা প্রদানের জন্য আরো দুটি ইউনিট রয়েছে।
- অর্থ ব্যবস্থাপনা ইউনিট
- প্রশাসন ও লজিস্টিকস্ সহায়তা ইউনিট এবং মানব সম্পদ উন্নয়ন ইউনিট